৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...

Image
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে মমিন মিয়ার সাথে তিশার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। পরে মমিন কাজের জন্য তিশাকে বাড়িতে রেখে সৌদি আরবে চলে যান। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। স্বামী প্রবাসে থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই এলাকার সাকিন মিয়ার ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী সিয়াম মিয়ার সাথে তিশা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দীর্ঘদিনের এই ভার্চুয়াল সম্পর্ক একসময় গভীর প্রেমে রূপ নেয়। কিছুদিন আগে সিয়াম সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। তারপর সিয়ামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিশা তার সংসার ফেলে বুধবার রাতে সিয়ামের বাড়িতে চলে যান। পরে সিয়াম তিশাকে রেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তারপর থেকেই বিয়ের দাবিতে তিশা সিয়ামের বাড়িতে অনশন শুরু করেন। বিষয়টি প্রথমে তাদের পরিবারের মধ্যে থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতে পুরো এলাকায় চঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে মমিন মিয়ার মা বলেন, “যে মেয়ে বাচ্চা সংসার ফেলে প্রেমিকের কাছে চলে গেছে তার প্রতি আমাদের কোন মায়া, ভালোবাসা, অধিকার নেই। এই মেয়েকে আমরা আর ঘরে তুলব না।” তবে সিয়াম ও তার বাবা সাকিন মিয়া বাসা থেকে পলাতক থাকাই তাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি এবং সিয়ামের মা কোন কথা বলত...

কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী...

   

 


সহ/বাসের সময় একজন নারী তার শরীরের কোথায় বেশী আদর পেতে চায়? অনেক পুরুষ এটা জানেই না








সহ/বাসের সময় বা মিলনের আগে শারীরিক তৃপ্তি এবং ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আদর (Foreplay) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো কোন_ধরনের_নারীর_ ভিন্ন হতে পারে, তবে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ অত্যন্ত সংবেদনশীল।








নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
































১. ক্লিটোরিস (Clitoris)
































নারীর শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো ক্লিটোরিস বা ভগশিন্ম। এতে হাজার হাজার স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। যৌ/ন উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং অর্গাজম বা চূড়ান্ত তৃপ্তি পেতে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে এই অংশে সঠিক ও মৃদু স্পর্শ সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
































































২. ঘাড় এবং গলা
































নারীর ঘাড় এবং কানের পেছনের অংশ অত্যন্ত কামোদ্দীপক। মিলন শুরুর আগে এই স্থানে হালকা চুম্বন বা নিঃশ্বাসের স্পর্শ নারীদের দ্রুত উত্তেজিত হতে সাহায্য করে।
































































৩. স্তন এবং স্তনবৃন্ত (Breasts and Nipples)
































সহ/বাসের সময় স্তন ও স্তনবৃন্তের আদর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হালকা ম্যাসাজ বা চুম্বন শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তবে মনে রাখবেন, এখানে খুব বেশি চাপ প্রয়োগ না করে আলতোভাবে আদর করা উচিত।
































































৪. ঠোঁট ও মুখ
































চুম্বন ঘনিষ্ঠতা তৈরির প্রথম ধাপ। দীর্ঘ ও গভীর চুম্বন সঙ্গিনীর মনে আবেগের সঞ্চার করে এবং তাকে মিলনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে।
































































৫. পিঠ এবং কোমর
































নারীর মেরুদণ্ডের নিচের অংশ এবং কোমরের দিকটা বেশ স্পর্শকাতর। সঙ্গিনীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরা বা পিঠে আলতো হাতের স্পর্শ তাকে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দ দেয়।
































































৬. ঊরু এবং তলপেট
































ঊরুর ভেতরের অংশ এবং তলপেটে হালকা স্পর্শ বা আদর যৌ/ন উত্তেজনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি যৌ/নাঙ্গের খুব কাছাকাছি হওয়ায় শরীরে শিহরণ তৈরি করে।
































































৭. কান
































কানের লতি এবং কানের আশেপাশে ফিসফিস করে কথা বলা বা হালকা চুম্বন অনেক নারীর কাছেই অত্যন্ত উত্তেজনাকর।
































































কিছু জরুরি পরামর্শ:
































 * পারস্পরিক সম্মতি: যেকোনো ধরনের শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর ইচ্ছা এবং সম্মতির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
































 * ধৈর্য ও সময়: তাড়াহুড়ো না করে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফোরপ্লে বা আদর করা উচিত। এটি মিলনকে আরও আনন্দদায়ক ও বেদনাদায়ক হওয়া থেকে রক্ষা করে।
































 * যোগাযোগ: আপনার সঙ্গিনী কোথায় বেশি আনন্দ পাচ্ছেন, তা জানার সেরা উপায় হলো তার সাথে কথা বলা। তার শরীরি ভাষা (Body Language) খেয়াল করুন।
































































হ্যা এবার আসুন আসল কথায় 
































যৌ/ন শক্তি কমে গেলে বা যৌ/ন রোগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ছাড়া যৌ/ন রোগ ভালো হয়না। অনেকে মনে করে কিছুদিন পুষ্টিকর খাবার খাবো আর রেষ্ট নিবো তাহলেই রোগ সেরে যাবে কিন্তু একবার রোগ জন্ম নিলে বিনা চিকিৎসায় ভালো হবার সম্ভাবনা নেই। মনে রাখবেন যৌ/ন রোগের জন্য অন্য চিকিৎসার তুলনায় বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা সবচেয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী। কারন অন্য চিকিৎসায় ওষধে নিশ্চিত ক্যা"মিকেল থাকে যা কিছুটা উপকার করলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষ/তির সম্ভাবনা আছে আর ভালো হেকিমের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিলে তিনি সঠিক ভেষজ দ্বারা ওষধ হাতে বানিয়ে দিবে যাহা কিছুদিন সেবনের ফলে আল্লাহর রহমতে পুরো সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ। 





















































Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more